কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ১০:৪৭ AM
কন্টেন্ট: পাতা
শিবালয় উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন এই অঞ্চলের জননিরাপত্তা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশেষ করে যমুনা ও পদ্মা নদীর সঙ্গমস্থল এবং আরিচা-পাটুরিয়া ফেরিঘাটের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হওয়ায় তাদের দায়িত্বের পরিধি বেশ বিস্তৃত।
নিচে শিবালয় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের প্রধান অর্জনসমূহ তুলে ধরা হলো:
শিবালয় স্টেশনের অন্যতম বড় সাফল্য হলো পাটুরিয়া ও আরিচা নৌ-রুটে ফেরি বা লঞ্চ দুর্ঘটনায় তাৎক্ষণিক সাড়া দেওয়া। বিশেষ করে ঘন কুয়াশায় ফেরি আটকে পড়া বা ইঞ্জিন বিকল হওয়ার মতো ঘটনায় তারা সফলভাবে যাত্রী ও যানবাহন উদ্ধারে কাজ করেছে।
উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার, বিশেষ করে উথলী, বরঙ্গাইল এবং শিবালয় এলাকার ঘনবসতিপূর্ণ স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দ্রুত পৌঁছে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে সম্পদ রক্ষা করা তাদের নিয়মিত সাফল্যের অংশ।
ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের একটি বড় অংশ শিবালয় উপজেলার অধীনে। এই মহাসড়কে ঘটা ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনাগুলোতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আধুনিক যন্ত্রপাতির (যেমন: স্প্রেডার, কাটার) মাধ্যমে দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া গাড়ি থেকে দ্রুত মানুষকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে মৃত্যুর হার কমিয়ে আনছে।
এই স্টেশনের একটি বড় অর্জন হলো জনসচেতনতা বৃদ্ধি। তারা নিয়মিতভাবে:
স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিনির্বাপণ মহড়া পরিচালনা করে।
বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় 'অগ্নি প্রতিরোধ পক্ষ' পালন করে।
তৈরি পোশাক কারখানা বা শিল্প প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করে।
দুর্যোগের সময় স্থানীয় জনগণের সহায়তা পেতে তারা অনেকগুলো স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন ও প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এতে করে মূল বাহিনী পৌঁছানোর আগেই স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক উদ্ধার কাজ শুরু করা সম্ভব হয়।
আগের তুলনায় বর্তমানে শিবালয় স্টেশনে উন্নতমানের পানিবাহী গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স এবং ডুবুরি দল (প্রয়োজন সাপেক্ষে জেলা সদর থেকে সমন্বিত) যুক্ত হওয়ায় তাদের সেবার মান অনেক উন্নত হয়েছে।